' দেয়াল' রচনাটি কার?
-
ক
হুমায়ূন আহমেদ
-
খ
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
-
গ
বুদ্ধদেব বসু
-
ঘ
সেলিনা হোসেন
লেখক তার নিজের কল্পনাশক্তি ও বুদ্ধিবৃত্তিকে কাজে লাগিয়ে কোনো মননশীল ভাব কিংবা তথ্য বা তত্ত্ব উপযুক্ত ভাষার মাধ্যমে যুক্তি পরম্পরায় উপস্থাপনের মাধ্যমে যে নাতিদীর্ঘ সাহিত্য রচনা করেন তাকে প্রবন্ধ রচনা বলে। এর সাধারণত তিনটি অংশ থাকে। যথা:
০১। ভূমিকা: ভূমিকা হচ্ছে প্রবন্ধের প্রারম্ভিক অংশ যেখানে লেখার মূল বিষয়গত ভাবের প্রতিফলন ঘটে। ভূমিকা যত আকর্ষণীয় হবে রচনাটিও পাঠকের কাছে ততো হৃদয়গ্রাহী হবে। ভূমিকাতে অপ্রাসঙ্গিক ও অনাবশ্যক বিষয়ের অবতারণা করা উচিত নয়।
০২। মূল অংশ: এ অংশে প্রবন্ধের মূল বক্তব্য উপস্থাপিত হবে। পরিবেশনের আগে বিষয়টিকে প্রয়োজনীয় সংকেত (Points) এ ভাগ করে নিতে হবে। সংকেতের বিস্তার কতখানি হবে তা ভাব প্রকাশের পূর্ণতার ওপর নির্ভরশীল। এর আয়তনগত কোনো নির্দিষ্ট পরিমাপ নেই।
০৩। উপসংহার: এটি প্রবন্ধের সিদ্ধান্তমূলক বা সমাপ্তিসূচক অংশ। এখানে লেখক তার আলোচনার সিদ্ধান্তে উপনীত হন এবং তার নিজস্ব অভিমত বা আশা-আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেন।
Related Question
View All-
ক
শেখ মুজিবুর রহমান
-
খ
শেখ হাসিনা
-
গ
শেখ রেহানা
-
ঘ
শেখ ফজিলাতুন্নেছা
-
ক
লাল ফুলকি
-
খ
জাল
-
গ
ওয়ারিশ
-
ঘ
যাত্রা
-
ক
মুকুট
-
খ
ছিন্নপত্র
-
গ
ভাঙাগান
-
ঘ
রাজর্ষি
-
ক
জসীমউদ্দীন
-
খ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
-
গ
মৃণালিনী দেবী
-
ঘ
শওকত ওসমান
-
ক
হাসান আজিজুল হক
-
খ
সৈয়দ শামসুল হক
-
গ
হুমায়ুন আজাদ
-
ঘ
জাহানারা ইমাম
-
ক
কবর
-
খ
হাঙ্গর নদী গ্রেনেড
-
গ
পদ্মা নদীর মাঝি
-
ঘ
লালসালু
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!